মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ বঙ্গভবন ছেড়ে বিদায় নিতে হয়েছে ২১তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে। তবে এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে একটি বিতর্কের জবনিকা পড়েনি; বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে উন্মোচিত হয়েছে এক নতুন অনিশ্চয়তা ও বিচারিক পর্যালোচনার অধ্যায়।
জেলা জজ থেকে শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরবর্তীতে দেশের রাষ্ট্রপতি—সাহাবুদ্দিনের দ্রুত উত্থানের প্রতিটি স্তরেই জড়িয়ে ছিল চরম রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘বিশেষ আস্থার লোক’ হিসেবে রাষ্ট্রপ্রধান পদে আসীন হওয়া এই শীর্ষ ব্যক্তি এখন ক্ষমতার অপব্যবহার, হাজার হাজার কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারী, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত ফাইল ধামাচাপা দেওয়া এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নীরব সমর্থকের ভূমিকা পালনের মতো গুরুতর অভিযোগের মুখে।
সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির জন্য যে সুরক্ষা বা ‘দায়মুক্তি’র বিধান রয়েছে, তা কি তাকে আইন ও আদালতের মুখোমুখি হওয়া থেকে বাঁচাবে, নাকি পদত্যাগের পর তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতিদের ইতিহাসে এক নতুন আইনি নজির স্থাপন করে দাঁড়াবেন কাঠগড়ায়?—এখন এই প্রশ্ন টক অব দ্য কান্ট্রি।
রাজনীতির অনুকম্পা ও এক দ্রুত উত্থানের ইতিহাস: মো. সাহাবুদ্দিনের কর্মজীবন শুরু হয়েছিল বিচার বিভাগে। বিসিএস বিচার ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে তিনি জেলা ও দায়রা জজ পদে উন্নীত হন এবং অবসর গ্রহণ করেন। পাবনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে যুক্ত থাকার ইতিহাস তার রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর তিনি কারাবরণও করেন। ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার তদন্তে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার গঠিত তদন্ত কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি ক্ষমতাসীন দলটির আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার আসল উত্থান ঘটে বিচার বিভাগীয় অবসরের পর। রাষ্ট্রযন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ সব পদে একে একে তার পদায়ন ঘটে, যা কোনো সাধারণ প্রশাসনিক পদোন্নতি ছিল না—বরং ছিল একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ফল। ২০১১ সালে তাকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার (তদন্ত) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১৬ সালে দুদকের মেয়াদ শেষ হতেই তিনি হন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
২০২৩ সালে রাজনৈতিক অঙ্গনকে চমকে দিয়ে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তাকে দেশের রাষ্ট্রপতির পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করে বঙ্গভবনে পাঠায়। তবে এটি কেবল একজন ব্যক্তির সাফল্য ছিল না; এর নেপথ্যে ছিল শেখ হাসিনার একক আস্থা এবং তৎকালীন প্রভাবশালী এস আলম গ্রুপের পরোক্ষ সমর্থন—যা পরবর্তীতে দেশের অর্থনীতি ও শাসনব্যবস্থায় এক মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
দুদক কমিশনার হিসেবে ভূমিকা: সাহাবুদ্দিনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিতর্কিত অধ্যায়গুলোর একটি শুরু হয়েছিল দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময়। তার তত্ত্বাবধানেই সংঘটিত হয়েছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত দুটি দুর্নীতির ঘটনা—পদ্মা সেতু প্রকল্পের কথিত দুর্নীতির ষড়যন্ত্র এবং বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারী।
পদ্মা সেতুর বিতর্ক ও বিশ্বব্যাংকের ঋণ বাতিল: বিশ্বব্যাংক যখন কানাডীয় প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিন ও বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগে শত কোটি টাকার ঘুষের ষড়যন্ত্রের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ তুলে ধরেছিল, তখন তদন্ত বিভাগের কমিশনার হিসেবে সাহাবুদ্দিন ছিলেন দুদকের সবচেয়ে দৃশ্যমান মুখ। বিশ্বব্যাংকের নিয়োগ করা বিশেষজ্ঞ প্যানেল বারবার তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের নাম মামলায় যুক্ত করার অনুরোধ জানালেও দুদক তাকে আসামির তালিকা থেকে বাদ দেয়।
কমিশনার সাহাবুদ্দিন তখন দাবি করেছিলেন, দেশের আইন ও আন্তর্জাতিক আইনের ব্যাখ্যা এক নয়। কিন্তু ২০১৪ সালে প্রায় ২০ মাস তদন্তের পর তার প্রকাশ্য সমর্থনে দুদক জানায়—দুর্নীতির কোনো প্রমাণ মেলেনি। সকল আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে মামলায় ফাইনাল রিপোর্ট বা ‘ক্লিনচিট’ দেওয়া হয়। ২০২৫ সালে ছাত্র-জনতার বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে দুদক যখন মামলাটি পুনঃতদন্তের উদ্যোগ নেয়, তখন বর্তমান কমিশন স্বীকার করে যে, পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তৎকালীন কমিশন ‘জোর করে’ মামলাটি নিষ্পত্তি করেছিল।
বেসিক ব্যাংকের আড়ালের কারিগর: ২০১৫ সালে বেসিক ব্যাংক থেকে প্রায় ২ হাজার ৩৭ কোটি টাকা হরিলুটের ঘটনায় দুদক ৫৬টি মামলা করলেও ব্যাংকটির তৎকালীন চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু এবং পরিচালনা পর্ষদের প্রধান অভিযুক্তদের বাদ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে চার্জশিট জমার সময় তদন্তকারী কর্মকর্তারা আদালতে স্বীকার করেন, তৎকালীন কমিশনারদের চরম রাজনৈতিক চাপ ও বাধার কারণেই মূল আসামিদের এতদিন রেহাই দেওয়া হয়েছিল। সাহাবুদ্দিনের এই ভূমিকা কেবল একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দুদককে প্রশ্নবিদ্ধ করেনি, বরং রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকার ক্ষতিসাধনকে প্রশ্রয় দিয়েছিল।
ইসলামী ব্যাংক দখল ও এস আলম সাম্রাজ্যের ছায়া: দুদক থেকে বিদায় নেওয়ার পর ২০১৭ সালে মো. সাহাবুদ্দিনের অবস্থান পরিবর্তন ঘটে আর্থিক খাতে। তিনি চট্টগ্রামের জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক হন এবং পরবর্তীতে ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এটি ছিল এমন এক সময়, যখন শিল্পগ্রুপ ‘এস আলম’ বিতর্কিত উপায়ে ব্যাংক দখল, বেনামী পর্ষদ গঠন এবং ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে দেশের ব্যাংকিং খাতের সিংহভাগ অর্থ বিদেশে পাচার করছিল।
৮০ হাজার কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারী: সম্প্রতি হাইকোর্টে দাখিল করা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (BFIU) প্রতিবেদনে উঠে এসেছে নজিরবিহীন তথ্য। ২০১৭ থেকে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পূর্বপর্যন্ত সাহাবুদ্দিন যখন ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন ২৪টি ভুয়া কোম্পানির নামে ব্যাংকটি থেকে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা বের করে নেওয়া হয়।জেএমসি বিল্ডার্সের সক্রিয়তা: এই ২৪টি কোম্পানির মধ্যে অন্যতম প্রধান কোম্পানি ছিল ‘জেএমসি বিল্ডার্স’—যার পক্ষে সাহাবুদ্দিন পর্ষদে প্রতিনিধিত্ব করতেন।
আইনজীবী শিশির মনিরের তথ্যমতে, ইসলামী ব্যাংকের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তরের পেছনে এবং ঋণ জালিয়াতিতে পর্ষদ সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে সাহাবুদ্দিনের প্রত্যক্ষ সাক্ষর ও অনুমোদন ছিল।ইসলামী ব্যাংকের মতো দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি ব্যাংক ধ্বংসের নীরব ও প্রত্যক্ষ সহযোগী হওয়ার অভিযোগ সাহাবুদ্দিনের গায়ে লেপ্টে আছে, যা এখন আইনের নজরে সবচেয়ে বড় অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
বঙ্গভবন থেকে পতন: রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর থেকে সাহাবুদ্দিন কখনো নিরপেক্ষ অভিভাবকের ভূমিকা পালন করতে পারেননি। বঙ্গভবনে যাওয়ার আগে শেখ হাসিনার পা ছুঁয়ে প্রণাম করার ছবি কিংবা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের ভাষায় বক্তব্য দেওয়া—সবকিছুতেই তার দলীয় পরিচয় স্পষ্ট ছিল। তবে তার পতনের মূল সূচনা ঘটে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর। শেখ হাসিনার পলায়ন ও অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সময় তিনি সংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় সংসদ ভেঙে দেন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারকে শপথ পড়ান। কিন্তু এর পরেই শুরু হয় তার চরম দ্বৈত নীতি।
শেখ হাসিনার ‘পদত্যাগপত্র’ বিতর্ক: ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সুস্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন—শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি। কিন্তু পরবর্তীতে একজন প্রবীণ সাংবাদিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন—শেখ হাসিনার পদত্যাগের কোনো দালিলিক প্রমাণ আমার কাছে নেই। রাষ্ট্রের প্রধান অভিভাবকের এমন পরস্পরবিরোধী বক্তব্য অন্তর্বর্তী সরকার এবং ছাত্র আন্দোলনের সাথে তার সুসম্পর্কের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয়।
সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল তার বিরুদ্ধে ‘অসত্য ভাষণ’ ও ‘শপথ ভঙ্গের’ সরাসরি অভিযোগ তোলেন। রাজপথে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাও ও উত্তাল বিক্ষোভ শুরু হয়। বিদেশে ছবি নামিয়ে নেওয়া, প্রেস বিভাগ সরিয়ে নেওয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার সাথে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় সাহাবুদ্দিন নিজেকে ‘বিচ্ছিন্ন ও অপমানিত’ মনে করেন এবং রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। অবশেষে ২৪ জুলাই তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ: অনুচ্ছেদের ধারাসংবিধানে বর্ণিত মূল বিধানসাহাবুদ্দিনের ক্ষেত্রে আইনি প্রয়োগ ও ব্যাখা৫১ (১) ধারাদায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রপতি কোনো কাজের জন্য কোনো আদালতে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন না। রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদায় থেকে কোনো সরকারি আদেশ বা সিদ্ধান্ত নিলে সেটার দায় ব্যক্তিগত নয়।৫১ (২) ধারারাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের বা গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করা যাবে না। সুরক্ষার এই শর্তটি কেবলমাত্র পদের মেয়াদ থাকা অবস্থায় প্রযোজ্য। পদত্যাগের পর তা বাতিল হয়।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির এবং জয়নুল আবেদীন স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সংবিধান রাষ্ট্রপতি পদকে সুরক্ষা দেয়, মো. সাহাবুদ্দিনকে ব্যক্তিগতভাবে নয়।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের অপরাধ: ২০১১-২০১৬ সালের দুদক কেলেঙ্কারী কিংবা ২০১৭-২০২৩ সালের ইসলামী ব্যাংক জালিয়াতির ঘটনা যখন তিনি ঘটিয়েছেন, তখন তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। ফলে এই সময়কার অপরাধের বিচারের জন্য সংবিধানে কোনো ধরনের আইনি বাধা নেই।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT): জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও গণহত্যা ঠেকানোয় ব্যর্থতা ও পরোক্ষ সহযোগিতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে দুটি আবেদন জমা পড়েছে।
আইনজীবীদের মতে, মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো সাংবিধানিক পদমর্যাদাই ঢাল হতে পারে না।
বর্তমান সরকারের অবস্থান ও রাজনৈতিক সমীকরণ: সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ভবিষ্যৎ এখন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও বিএফআইইউ, হাইকোর্ট এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অবশ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি সাংবিধানিক ‘ইনডেমনিটি’ বা দায়মুক্তি পান। তাই পদকালে করা কাজের জন্য মামলা দেওয়া কঠিন। তবে পদ পাওয়ার আগের ঘটনার ক্ষেত্রে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে। সাবেক রাষ্ট্রপতির সুরক্ষায় আইনানুযায়ী স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (SSF) সহ ৬ মাসের নিরাপত্তা দেওয়া হবে।
তবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান স্পষ্ট করে বলেছেন, সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদক ও ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে থাকাকালে ওঠার দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগগুলো সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনায় নিয়েছে। তদন্তের সত্যতা নিশ্চিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রশাসন/কেএ/ ২৭ জুলাই ২০২৬
